বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাগেরহাট ইউনিটের সেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে আধুনিক কনফারেন্স কাম এক্সিকিউটিভ রুম উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে নবনির্মিত কনফারেন্স কাম এক্সিকিউটিভ রুমের উদ্বোধন করেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন।
জানা যায়, আধুনিক ও নান্দনিকভাবে সাজানো এ কনফারেন্স রুমের নবরূপায়নের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন। এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি মো. মাহবুবুর রহমান টুটুল। ইউনিটের কার্যনির্বাহী পরিষদের উদ্যোগে এ উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আল-আমীন সরদার ও নার্গিস আক্তার ইভা, ইউনিট লেভেল অফিসার মো. হান্নান, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি)-এর এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর ডিকশা খাডকা, সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার মামুনুর রশিদ, সিডিআরআরএনসিএ (CDRRnCA) প্রোগ্রামের ইনচার্জ ডি. এম. নাজমুল আলমসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবীরা।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র পিএমইআর অফিসার শাহাদাত হোসেন, ফাইন্যান্স অফিসার মোনালিসা রূপা, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার তানভীর মাহমুদ আকাশ, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম অফিসার ইমদাদ ইলাহী চৌধুরী, এমএসিপি রেসপন্সিভ গ্রান্ট বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রজেক্ট অ্যাসোসিয়েট মো. শরিফুল ইসলাম জুয়েল, বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক যুব প্রধান মোহাম্মদ নাইমুর রহমান, বর্তমান যুব প্রধান রাকিবুল ইসলাম এবং যুব রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই কনফারেন্স কাম এক্সিকিউটিভ রুম রেড ক্রিসেন্টের প্রশাসনিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ, সভা, পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে ইউনিটের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সেবার মানোন্নয়ন এবং স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
উদ্বোধন শেষে অতিথিরা নবসজ্জিত কনফারেন্স কাম এক্সিকিউটিভ রুম পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা এর আধুনিক অবকাঠামো, প্রযুক্তিনির্ভর সুযোগ-সুবিধা ও নান্দনিক পরিবেশের প্রশংসা করেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন এই সংযোজনের মাধ্যমে বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে এবং দুর্যোগকালীন ও মানবিক সেবায় সাধারণ মানুষ আরও কার্যকর সহায়তা পাবে।