ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার চূড়াইন ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে মো. সৌরভ ইসলাম (২৪) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১৩ জনকে আসামি করে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।
আহত সৌরভ ইসলাম উপজেলার পূর্ব চূড়াইন গ্রামের বাসিন্দা ও মো. নজরুল ইসলামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ চূড়াইন এলাকার মরা খালের মোড়সংলগ্ন পাকা সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল ব্যক্তি তার পথরোধ করে। দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে তাকে এলোপাতাড়ি মারধরের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, হামলার সময় সৌরভ ইসলামের কাছে থাকা নগদ টাকা, একটি স্বর্ণের চেইন ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া হামলাকারীরা এলাকায় ঘরবাড়িতেও ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতি চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পরদিন, ১ আগস্ট আহত সৌরভের বাবা মো. নজরুল ইসলাম নবাবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে একই এলাকার ১৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্তদের একজন মো. শামীম রেজার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, চূড়াইন এলাকায় এর আগেও দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বিরোধ ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের সেই বিরোধের ধারাবাহিকতাতেই সর্বশেষ এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু হানিফ বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলমান। দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।