সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় সরকারি ওয়াপদা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত করে নল পাইপের মাধ্যমে বর্জ্য ফেলার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে হাজী আব্দুল হাশেম কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, উপজেলার হাজী আব্দুল হাশেম মার্কেটের সামনে পূর্ব-পশ্চিমমুখী সরকারি ওয়াপদা বাঁধের মাঝখান দিয়ে গোপনে খনন করে বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য পাইপ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কমপ্লেক্সের মালিক হাজী আব্দুল হাশেমের শ্যালক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১ আগস্ট শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে ওয়াপদা বাঁধের মূল সড়ক খননের কাজ শুরু করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ড্রেজার মেশিন ও প্রায় ১৫ জন শ্রমিক দিয়ে গোপনে এ কাজ চালানো হচ্ছিল। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানালে কাজ বন্ধ রাখা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত করে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা হলে বর্ষা মৌসুমে নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, নল পাইপ স্থাপনের মাধ্যমে মার্কেটের বর্জ্য নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সরকারি সম্পদের নিরাপত্তা ও পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে জহুরুল ইসলাম প্রথমে ভুল স্বীকার করলেও পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা হাজী আলতাফ হোসেন প্রামাণিকের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে পুনরায় কাজ করার ঘোষণা দেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি সম্পদ রক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।