1. info@drishtirekha.com : Rrishti Rekha :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

প্রার্থী বাছাইয়ে কঠোর হচ্ছে নির্বাচন কমিশন

উপজেলা প্রতিনিধি:
  • Update Time : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৪ Time View

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা প্রার্থী হতে পারবেন না, সে বিষয়ে নতুন কিছু প্রস্তাবে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাব অনুযায়ী, ঋণখেলাপির গ্যারান্টার, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও ভূমি করের বিল বকেয়া থাকা ব্যক্তি, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, লাভজনক পদে কর্মরত ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচনী আইনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা আরও স্পষ্টভাবে যুক্ত করার প্রস্তাবও করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে দীর্ঘ কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চার নির্বাচন কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আখতার আহমেদ জানান, সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ—এই পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার আইনের বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করে যেসব বিষয়ে সংশোধন প্রয়োজন বলে মনে হয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে সব আইনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব একইভাবে উল্লেখ নেই। তাই সব স্থানীয় সরকার আইনে বিষয়টি সমানভাবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে কমিশন নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।

ইসি সচিব আরও জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি শুধু ব্যক্তিগত ঋণখেলাপি নয়, কোনো ঋণের গ্যারান্টার হয়ে খেলাপি হলেও তাকেও নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার প্রস্তাবে কমিশন সম্মতি দিয়েছে।

এ ছাড়া শুধু ব্যাংক ঋণ নয়, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ভূমি করসহ বিভিন্ন সরকারি ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিল বকেয়া থাকলেও প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব করা হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানের নামে বকেয়া থাকলেও সেটিও অযোগ্যতার কারণ হতে পারে।

কমিশন লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগরিকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না রাখার বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, সব স্থানীয় সরকার আইনে সশস্ত্র বাহিনীকেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসব আইন সংশোধনের প্রস্তাব স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। বিভাগ প্রয়োজন মনে করলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আচরণ বিধিমালাও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি জানান, বর্তমানে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে ১৮ বছর পূর্ণ হলে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন।

তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহের বয়সসীমা আরও কমানো যায় কি না, তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। এসএসসি, অষ্টম শ্রেণি বা প্রাথমিক—কোন স্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে, তা তুলনামূলক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Share and Enjoy !

Shares
More News Of This Category
© All rights reserved
Developer By MMIT